- Joined
- Dec 28, 2024
- Threads
- 173
- Messages
- 5,839
- Reaction score
- 5,109
- Points
- 2,213
- Age
- 47
- Location
- Dhaka
- Gender
- Male
‘পলাশীর যুদ্ধ’ এর বর্ণনা দাও?
উত্তরঃ ‘হাওয়াই চপ্পল পায়ে সিরাজ তো উঠে পড়লেন ঘোড়ায়। তারপর তরোয়াল নিয়ে সাঁই সাঁই সাঁই! কী যুদ্ধ, কী যুদ্ধ!’
সিরাজ সত্যি সত্যি এমন যুদ্ধ করেছিলেন কিনা, জানি না। তবে হাইস্কুলের ক্লাস এইটের ছাত্র এসব দিব্যচক্ষে দেখেছে!
-------
ইতিহাসে আলেকজান্ডারের অবদান আলোচনা কর।
উত্তরঃ আলেকজান্ডার একদিন সকালবেলা পুরুর বাড়ির দরজায় কড়া নাড়লেন। পুরুর মা দরজা খুলে দিতে বললেন, ‘মাসিমা, পুরু আছে?’
মাসিমা বললেন, ‘না বাবা, পুরু খেলতে গেছে।‘
আলেকজান্ডার বললেন, ‘এলে বলে দেবেন, বিকেলে যুদ্ধ আছে।‘
এমন ইতিহাস লিখতে ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র পারেননি, এডাম স্মিথও না। এ আমাদের বাংলা মিডিয়ামের কিশোর-কিশোরীদের পাকা হাতের কাজ। তাদের প্রতিভার কি আর কমতি আছে?
-------
কোনো ব্যাকরণবিদ কি স্বপ্নে ভেবেছিলেন যে 'উত্তম' শব্দের বিপরীত ’সুচিত্রা' হতে পারে! অথবা ’আজানুলম্বিত' শব্দের অর্থ ’হাফপ্যান্ট'!
-------
এক ইতিহাসের শিক্ষক টিচার্সরুমে বসে মাধ্যমিকের খাতা দেখছিলেন। হঠাৎ বুকে হাত দিয়ে ঝুঁকে পড়লেন। কী হয়েছে? ব্যাপার কী?
পরীক্ষায় প্রশ্ন ছিল, ইতিহাসে ‘কণিষ্ক'-র অবদান সম্পর্কে লেখ।
ছেলে লিখেছে ভালোই। সুন্দর হস্তাক্ষরে লেখা হয়েছে, ‘মাথা না থাকতেই কণিষ্ক এতকিছু করেছেন। মাথা থাকলে না জানি তিনি কতকিছু করতেন!’
মুণ্ডুহীন সম্রাটের অমর কীর্তি বেচারা শিক্ষককে প্রায় মেরেই ফেলেছিল!
-------
'বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল' মানে যে ‘ছায়ার মধ্যে বৃষ্টি’ - সেটাই বা কতজন পণ্ডিত জানেন!
আর ’গদাইলস্করি চাল' দিয়ে বাক্যরচনা? হুঁহুঁ, সে একেবারে ফাটাফাটি!
‘বাজারে অনেক রকম চাল আছে। কিন্তু গদাইলস্করি চালের জবাব নেই!’
-------
বুদ্ধি নেই, তাই বা বলি কী করে?
এক বুদ্ধিমান ছাত্রীর কাণ্ড দিয়েই শেষ করব।
ড্রইং পরীক্ষায় বিড়াল আঁকতে দেওয়া হয়েছে ।
ক্লাস ফাইভের মেয়ে গম্ভীর মুখে বিরাট এক বিড়াল আঁকছে খাতার পাতা জুড়ে । নিচের ডানদিকে লিখেছে ‘পি টি ও’।
দিদিমণি তো অবাক। জিজ্ঞেস করলেন, ‘ড্রইং খাতায় পি টি ও কেন?’
ছাত্রী জানাল তার মা বলে দিয়েছেন, উত্তর এক পাতায় না আঁটলে পরের পাতায় যেতে হলে ঐ কথা লিখতে হয়। তার বিড়াল এত বড় হয়েছে যে সেই অনুপাতে একটি পেল্লাই লেজ দরকার। সেই লেজ এই পাতায় আঁটবে না। তাই সে ঠিক করেছে ‘পি টি ও’ লিখে পরের পাতায় মনের সাধ মিটিয়ে লেজখানা আঁকবে।
-------
আপনারা অবাক হতেই পারেন, স্কুল শিক্ষার সঙ্গে জড়িত মানুষজন কিন্তু হন না। তারা জানেন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে কত প্রতিভা সুপ্ত থাকে!
এমন ভাবনা ভাবতে পারতেন লিওনার্দো!
উত্তরঃ ‘হাওয়াই চপ্পল পায়ে সিরাজ তো উঠে পড়লেন ঘোড়ায়। তারপর তরোয়াল নিয়ে সাঁই সাঁই সাঁই! কী যুদ্ধ, কী যুদ্ধ!’
সিরাজ সত্যি সত্যি এমন যুদ্ধ করেছিলেন কিনা, জানি না। তবে হাইস্কুলের ক্লাস এইটের ছাত্র এসব দিব্যচক্ষে দেখেছে!
-------
ইতিহাসে আলেকজান্ডারের অবদান আলোচনা কর।
উত্তরঃ আলেকজান্ডার একদিন সকালবেলা পুরুর বাড়ির দরজায় কড়া নাড়লেন। পুরুর মা দরজা খুলে দিতে বললেন, ‘মাসিমা, পুরু আছে?’
মাসিমা বললেন, ‘না বাবা, পুরু খেলতে গেছে।‘
আলেকজান্ডার বললেন, ‘এলে বলে দেবেন, বিকেলে যুদ্ধ আছে।‘
এমন ইতিহাস লিখতে ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র পারেননি, এডাম স্মিথও না। এ আমাদের বাংলা মিডিয়ামের কিশোর-কিশোরীদের পাকা হাতের কাজ। তাদের প্রতিভার কি আর কমতি আছে?
-------
কোনো ব্যাকরণবিদ কি স্বপ্নে ভেবেছিলেন যে 'উত্তম' শব্দের বিপরীত ’সুচিত্রা' হতে পারে! অথবা ’আজানুলম্বিত' শব্দের অর্থ ’হাফপ্যান্ট'!
-------
এক ইতিহাসের শিক্ষক টিচার্সরুমে বসে মাধ্যমিকের খাতা দেখছিলেন। হঠাৎ বুকে হাত দিয়ে ঝুঁকে পড়লেন। কী হয়েছে? ব্যাপার কী?
পরীক্ষায় প্রশ্ন ছিল, ইতিহাসে ‘কণিষ্ক'-র অবদান সম্পর্কে লেখ।
ছেলে লিখেছে ভালোই। সুন্দর হস্তাক্ষরে লেখা হয়েছে, ‘মাথা না থাকতেই কণিষ্ক এতকিছু করেছেন। মাথা থাকলে না জানি তিনি কতকিছু করতেন!’
মুণ্ডুহীন সম্রাটের অমর কীর্তি বেচারা শিক্ষককে প্রায় মেরেই ফেলেছিল!
-------
'বৃষ্টিচ্ছায় অঞ্চল' মানে যে ‘ছায়ার মধ্যে বৃষ্টি’ - সেটাই বা কতজন পণ্ডিত জানেন!
আর ’গদাইলস্করি চাল' দিয়ে বাক্যরচনা? হুঁহুঁ, সে একেবারে ফাটাফাটি!
‘বাজারে অনেক রকম চাল আছে। কিন্তু গদাইলস্করি চালের জবাব নেই!’
-------
বুদ্ধি নেই, তাই বা বলি কী করে?
এক বুদ্ধিমান ছাত্রীর কাণ্ড দিয়েই শেষ করব।
ড্রইং পরীক্ষায় বিড়াল আঁকতে দেওয়া হয়েছে ।
ক্লাস ফাইভের মেয়ে গম্ভীর মুখে বিরাট এক বিড়াল আঁকছে খাতার পাতা জুড়ে । নিচের ডানদিকে লিখেছে ‘পি টি ও’।
দিদিমণি তো অবাক। জিজ্ঞেস করলেন, ‘ড্রইং খাতায় পি টি ও কেন?’
ছাত্রী জানাল তার মা বলে দিয়েছেন, উত্তর এক পাতায় না আঁটলে পরের পাতায় যেতে হলে ঐ কথা লিখতে হয়। তার বিড়াল এত বড় হয়েছে যে সেই অনুপাতে একটি পেল্লাই লেজ দরকার। সেই লেজ এই পাতায় আঁটবে না। তাই সে ঠিক করেছে ‘পি টি ও’ লিখে পরের পাতায় মনের সাধ মিটিয়ে লেজখানা আঁকবে।
-------
আপনারা অবাক হতেই পারেন, স্কুল শিক্ষার সঙ্গে জড়িত মানুষজন কিন্তু হন না। তারা জানেন ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে যে কত প্রতিভা সুপ্ত থাকে!
এমন ভাবনা ভাবতে পারতেন লিওনার্দো!